গল্পোঃ বোকা ছেলে vs গুন্ডি মেয়ের ভালোবাসা পাঠঃ২ ( লেখক মারুফ হাসান)
![]() |
bangla letest love story |
কলেজে ঢুকেই কারো চোখে চোখ পরতেই চোখটা আটকে গেলো,আরে এটা তো সেই বড় আপুটা।কোনো ছেলেকে পিটাচ্ছে, ওরে বাবারে কি ভয়ানক মেয়েরে বাবা।তারাতারি পিছু ফিরে স্কাসে আসতে যাবো হঠাৎ কেউ আমায় ধরে ফেললো আসলে এটা তো ঐ আপুটা তাকে দেখে আমার গলা শুখিয়ে গেল।
ঐ তুই কিছু দেখচিস আমি ভয়ে জ্বী হ্যা মানে না আপু আমি কিছু দেখি নি,,আচ্ছা যা তো আমার জন্য একটা রিক্সা ডেকে আন বাসায় যাবো,কি আর করার বাধ্য ছেলের মতো আমাকে তাই করতে হলো।
তারপর স্কাসে আসলাম স্কাস করলাম ৩ টা।ম্যাছের উদ্দেশ্যে রওনা দিলাম, পায়ে হেটে রিক্সা করে গেলে ১০ টাকা লাগবে যেটা আমার পক্ষে অসম্ভব কারন আমার বাবার অতোটা টাকা নাই
বিকাল বেলা এক নতুন জায়গায় যাচ্ছি তবে সেটা হলো আমার টিউশানি
আমি একটা টিউশানি করার সুযোগ পেয়েছি ম্যাসের একটা বড় ভাইয়ের সুভাসে তবে আজই প্রথম স্কাস তবে ঠিক ছেলে না মেয়েকে আমার প্রাইভেট পড়াতে হবে তা ঠিক জানিনা।
পড়ার টেবিলে বসে আছি হঠাৎ কারোর আগমন
একটা মেয়ে তবে দেখে মনে হলোনা যে ছোট স্কাসে পড়ে সাথে মেয়ের মা ও আছে,পরিচয় পরবো শুরু আমার নাম মোঃ মনির হাসান Enter First year a pori... আপনার
জ্বী আমার নাম মোছাঃসানজিদা ইয়াসমিন রিয়া, সবাই রিয়া বলেই ডাকে,আমি স্কাস ৯! এ পড়ি
আর আমি আপনার ছোট তাই তুমি করেই বলতে পারেন।ওহ যা কিহ পাকা মেয়েরে বাবা
রিয়াকে ১ ঘন্টা প্রাইভেট পড়াতে হবে যদিও প্রথম দিন তাই তেমন কোনো পড়াশুনা হলো না আজ,বের হতে যাবো তখনি স্যার একটু বসেন আম্মু বসতে বলেছে,আমি খুব ভয় পেয়ে গেলাম আসলে কোনো ভুল করে ফেললাম নাকি
তবে আমার মনের ধারনা ভুল প্রমান করে রিয়ার আম্মু আমার জন্য নাস্তা নিয়ে আসলেন,আমি ঠিক তখনি বুঝতে পারলাম যে প্রাইভেট পড়ানোর এই একটা সুবিধা রয়েয়ে,,সেদিনের মতো কাজ শেষ ম্যাসে চলে আসলাম তারপর ভাইয়াদের সাথে একটু আড্ডা দিয়ে পড়তে বসলাম।
পড়া শেষ করে ঘুমাইলাম। সকালবেলা ঘুম থেকে উঠলাম তারপর নাস্তা করে কলেজের উদ্দেশ্যে রওনা দিলাম।কি রে দোস্তো আজ এতো দেরি কেনো(রবি)
নারে একটু কাজ ছিলো.হঠাৎ ই বড় আপুর আগমন তার সাথে কথা বলার শাহস আমার নাই।তবুও তার ইচ্ছার কারনেই কথা বলতে হলো এবং জানতে পারলাম তাকে সবাই প্রিয়া বলেই ডাকে,বড়লোক বাবার গুন্ডি মেয়ে।
কলেজ শেষ করে প্রাইভেট পড়ানো তারপর বড় ভাইদের সাথে আড্ডা এভাবে বেস যাচ্ছে আমার দিনগুলো।বড় আপু প্রিয়াকে আমি একদম সহ্য করতে পারি না কেমন যেনো একটা ভয় আমার মাঝে কাজ করে।তবে প্রাইভেট ছাএী রিয়ার সাথে অনেক free হয়ে গেছি।এভাবেই আমার দিনগুলো কাটছে আনন্দে।
একমাস পর আজ আমার জীবনের প্রথম উপারজনের টাকাটা হাতে পেলাম।এবং কোনো কিছু না ভেবেই গ্রামের উদ্দেশ্য রওনা দিলাম।অবশ্য রিয়ার মাকে বলে এসেছি।
বিকাল বেলা গ্রামে এসেছি কতো সুন্দর সেই পরিবেশ।রাতের বেলা এক মামা আমাকে একটা Facebook Acaunt খুলে দেয়।যদিও আমার ইচ্ছা ছিলোনা।তবে তিনি বললেন এখনকার যোগাযোগের ভালো মাধ্যম নাকি ফেইসবুক।
গ্রামে তিনদিন থাকার পর শহড়ে আসছি আজ কলেজে এসেছি গেট দিয়ে ঢুকতে যাবো হঠাৎ মনে হলো আমি আর এগুতে পারছি না পিছন থেকে কেউ টেনে ধরেছে।
আরে এটাতো প্রিয়া আপু আমাকে অনেক অপমান করলো, কি মনে করিস তুই নিজেকে হুম ইত্যাদি ইত্যাদি।আমি কিছুই বুঝলাম না।তারপর
আজ তোকে স্কাস করতে হবে না (প্রিয়া)কিন্তু কেনো আপু। আমি বলছি এইতিন দিন কলেজে না আশার শাস্তি এটা।আমি খুব বিরক্তবোধ করছি আপুর উপর।তারপর স্কাস না করে তার সাথে ঘুরে ম্যাসে চলে আসলাম।
বিকালে প্রাইভেটের টেবিলে বসে আছি।হঠাৎ রিয়ার একটা প্রশ্ন শুনে আমি হতবাক হয়ে গেলাম।
চলবে কি
next part coming soon
লেখকের ফেসবুক প্রোফাইল রোমান্টিক মারুফ
3part Kokho Pabo
ReplyDelete